এক আকাশ আক্ষেপে ভরা পোশাক কারখানায় গোলামীকরিদের জীবন-
সারা মাস, সারা বছর এমনকি আমৃত্যু হতাশাময় জীবন
বেতনটা যদি আর একটু বাড়তো অথবা মাসের বেতন যদি মাসে পেতাম
আগামি মাসে চাকুরি থাকবে কি থাকবে না
টুকরো টুকরো অসংখ্য হাহাকার নিয়েই- মৃত্যু হয় তাদের।
সরকারী কর্মচারিদের ১২৮% বেতন বাড়ার অজুহাতে জিনিসপত্রের দামে আগুন
বাড়ি ভাড়া, গ্যস বিদ্যুৎ বিল, গাড়ি ভাড়া, স্কুলের বেতন সবই বাড়ে পোশাক কারখানায়
গোলামী করিদের পকেট থাকে ফাঁকা, কারণে-অকারণে
তাদের ঘরে বাইরে অফিসে শুনতে হয় কথা
প্রতিনিয়ত বাস্তবতার সাথে তাদের হয় সংঘর্ষ
রাত জেগে পোশাক কারখানায় গোলামীকরিরা ভাবে পৃথিবীর সকল কষ্ট শুধু তাদের
চারপাশে শক্ত অদৃশ্য দেয়াল, এই দেয়াল যায় না ভাঙ্গা
কোনো খেলাতেই তারা জয়ী হতে পারে না
পোশাক কারখানায় গোলামীকরি মানেই শুধু পরাজয়- দিনের পর দিন।
দিনের শেষে পোশাক কারখানায় গোলামীকরিদের সব রাগ গিয়ে পড়ে সৃস্টিকর্তার উপর
অনন্ত নক্ষত্রবীথিতে রাগ করার তাদের আর যে কেউ নেই
তারপরও পোশাক কারখানায় গোলামীকরিরা বেঁচে থাকে,
এই সমাজে তাদের সংখ্যাই বেশি
তারা এক আকাশ স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকে-
একদিন যদি তাদের স্বপ্ন গুলো সত্যি হয়।
বোকা পোশাক কারখানায় গোলামীকরিরা জানে না,
অভিশপ্ত জীবনের কোনো কিছুই কখনও সত্যি হয় না।
যদিও পোশাক কারখানাই দেশের বৈদেশিক মূদ্রা অজন কারি প্রধান খাত, এখানে করমরত ৪৪ লখ লোক তাদের কথা কে ভাবে, ভাবে সবাই শুধুমাত্র ২০ লাখ সরকারী করমচারীদের কথা–????????
পোশাক কারখানায় গোলামীকারই
0
